ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপির চার নেতাকে শোকজ

  • আপডেট সময়: ১০:০০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৬৫ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:চাঁদা দাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে খুলনায় বিএনপির চার নেতাকে কারণ দর্শাও (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী যৌথ স্বাক্ষরে তাদের শোকজ নোটিশ দেন।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার তেরখাদা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক বাবু মোল্লা, সদস্য ফেরদৌস মেম্বার, গাউস মোল্লা ও রবিউল ইসলাম লাকু।

এতে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা শেখ হাসান আল মামুন নামের জনৈক ব্যক্তিকে মারধর করে মুক্তিপণ হিসেবে ১৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দুই লাখ টাকা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে এবং বাকি ১১ লাখ টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখেন। বিষয়টি হাসান আল মামুন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এটি সুস্পষ্টভাবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড। কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এই মর্মে তিনদিনের ভেতর লিখিতভাবে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের সময় বাড়ল, আবেদন করা যাবে রোববার দুপুর পর্যন্ত

চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপির চার নেতাকে শোকজ

আপডেট সময়: ১০:০০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:চাঁদা দাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে খুলনায় বিএনপির চার নেতাকে কারণ দর্শাও (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী যৌথ স্বাক্ষরে তাদের শোকজ নোটিশ দেন।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার তেরখাদা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক বাবু মোল্লা, সদস্য ফেরদৌস মেম্বার, গাউস মোল্লা ও রবিউল ইসলাম লাকু।

এতে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা শেখ হাসান আল মামুন নামের জনৈক ব্যক্তিকে মারধর করে মুক্তিপণ হিসেবে ১৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দুই লাখ টাকা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে এবং বাকি ১১ লাখ টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখেন। বিষয়টি হাসান আল মামুন খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এটি সুস্পষ্টভাবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড। কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এই মর্মে তিনদিনের ভেতর লিখিতভাবে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।