ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপভোগ্য গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব: তারেক রহমান

  • আপডেট সময়: ০৯:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৮৩ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সবাই মিলে এমন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যেটি সবার জন্য ফেয়ার, ইনক্লুসিভ, বাসযোগ্য এবং উপভোগ্য হবে।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আগারগাঁও এলজিআরডি মিলনায়তনে প্রতিবন্ধী নাগরিক শ্রেণির সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিবন্ধীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আপনাদের প্রতিবন্ধকতা আমাদের সবার প্রতিবন্ধকতা। আপনাদের পেছনে রেখে আমরা কখনও এগিয়ে যেতে পারি না, আর এগোতে চাইও না।

তিনি বলেন, আমরা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ, সক্ষম এবং সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশে কিছু প্রাইভেট অর্গানাইজেশন শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নানা ধরনের ট্রেনিং প্রদান করে। এই ট্রেনিং শেষে চাকরির ব্যবস্থা করতে গিয়ে তারা হিমশিম খায়। এই সমস্যার সমাধানে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে জেলা পর্যায়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা থাকবে, যেখানে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ, ব্রেইলসহ ইনক্লুসিভ এডুকেশনের আধুনিক পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশের সুযোগ তৈরি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা বিবেচনা করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জীবনের মানোন্নয়নে ধীর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। যার ভিত্তি হবে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক সক্ষমতা এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের চিন্তার মধ্যে আছে, একটি স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা। যা প্রতিবন্ধি ভাই-বোনদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কার্যক্রম সমন্বয় করবে।

এ ছাড়া প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগণের জন্য মোবাইল হেলথ ক্লিনিক চালু, সহায়ক উপকরণ তৈরির জন্য কারখানা স্থাপন এবং আমদানির ক্ষেত্রে কর মওকুফের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকবে।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের সময় বাড়ল, আবেদন করা যাবে রোববার দুপুর পর্যন্ত

উপভোগ্য গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব: তারেক রহমান

আপডেট সময়: ০৯:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সবাই মিলে এমন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যেটি সবার জন্য ফেয়ার, ইনক্লুসিভ, বাসযোগ্য এবং উপভোগ্য হবে।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আগারগাঁও এলজিআরডি মিলনায়তনে প্রতিবন্ধী নাগরিক শ্রেণির সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিবন্ধীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আপনাদের প্রতিবন্ধকতা আমাদের সবার প্রতিবন্ধকতা। আপনাদের পেছনে রেখে আমরা কখনও এগিয়ে যেতে পারি না, আর এগোতে চাইও না।

তিনি বলেন, আমরা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ, সক্ষম এবং সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশে কিছু প্রাইভেট অর্গানাইজেশন শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নানা ধরনের ট্রেনিং প্রদান করে। এই ট্রেনিং শেষে চাকরির ব্যবস্থা করতে গিয়ে তারা হিমশিম খায়। এই সমস্যার সমাধানে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে জেলা পর্যায়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা থাকবে, যেখানে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ, ব্রেইলসহ ইনক্লুসিভ এডুকেশনের আধুনিক পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশের সুযোগ তৈরি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা বিবেচনা করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জীবনের মানোন্নয়নে ধীর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। যার ভিত্তি হবে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক সক্ষমতা এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের চিন্তার মধ্যে আছে, একটি স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা। যা প্রতিবন্ধি ভাই-বোনদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কার্যক্রম সমন্বয় করবে।

এ ছাড়া প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগণের জন্য মোবাইল হেলথ ক্লিনিক চালু, সহায়ক উপকরণ তৈরির জন্য কারখানা স্থাপন এবং আমদানির ক্ষেত্রে কর মওকুফের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকবে।