ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেইজিংয়ে চীন সরকারের সাথে তালেবানের বৈঠক

  • আপডেট সময়: ১১:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১৫২ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: তালেবানের একটি প্রতিনিধি দল গত রোববার বেইজিংয়ে আফগানিস্তানের জন্য নিযুক্ত চীনের বিশেষ প্রতিনিধির সাথে বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের শান্তি আলোচনার বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তালেবানের এক মুখপাত্র। শেষ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বাতিল করার পর তালেবান আর চীনের মধ্যে এ বৈঠক হলো। অনেকেই আশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র-তালেবানের ওই আলোচনার মধ্য দিয়ে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে এবং আফগানিস্তানে ১৮ বছরের যুদ্ধের ইতি ঘটবে।

তালেবানের ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল বেইজিং সফর করছেন এবং সেখানে তারা আফগানিস্তানবিষয়ক চীনা বিশেষ প্রতিনিধি ডেং শিজুনের সাথে বৈঠক করেছেন। আফগান তালেবানের কাতার অফিসের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন তার টুইটার একাউন্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। শাহীন লিখেছেন, চীনা বিশেষ প্রতিনিধি বলেছেন মার্কিন-তালেবান চুক্তিটি একটি ভালো ফ্রেমওয়ার্ক যেটার মাধ্যমে আফগান ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সমাধান হতে পারে এবং চীন এটাকে সমর্থন করে।

শাহীন টুইটে লিখেছেন যে, তালেবান প্রতিনিধি দলের নেতা মোল্লা বারাদার বলেছেন যে তারা সংলাপে অংশ নিয়ে একটা ‘সমন্বিত চুক্তিতে’ পৌঁছেছিলেন। শাহীনের মতে, বারাদার বলেছেন, এখন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি তার কথার মর্যাদা রাখতে না পারেন এবং সেটা ভঙ্গ করেন, তাহলে আফগানিস্তানে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি ও রক্তপাতের জন্য তাকেই দায় নিতে হবে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে এ ব্যাপারে ই-মেইলে যোগাযোগ করা হলেও তাদের তাৎক্ষণিক জবাব পাওয়া যায়নি। কাবুলে নিযুক্ত চীনা কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগামী সপ্তাহে আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী তালেবানদের উৎখাত করার পর এটি দেশের চতুর্থ নির্বাচন। শান্তি আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই নির্বাচন এখন গুরুত্ব পেয়েছে, কারণ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, যেটার সম্ভাবনা এখন খুবই সামান্য। জুন মাসে শান্তি চুক্তি বাতিল হওয়ার আগে তালেবানের আরেকটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করে দেশটির সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করেছিলেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

পাইকগাছায় এসিল্যান্ড পদ শূন্য, ভোগান্তিতে মানুষ

বেইজিংয়ে চীন সরকারের সাথে তালেবানের বৈঠক

আপডেট সময়: ১১:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক: তালেবানের একটি প্রতিনিধি দল গত রোববার বেইজিংয়ে আফগানিস্তানের জন্য নিযুক্ত চীনের বিশেষ প্রতিনিধির সাথে বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের শান্তি আলোচনার বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তালেবানের এক মুখপাত্র। শেষ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা বাতিল করার পর তালেবান আর চীনের মধ্যে এ বৈঠক হলো। অনেকেই আশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র-তালেবানের ওই আলোচনার মধ্য দিয়ে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে এবং আফগানিস্তানে ১৮ বছরের যুদ্ধের ইতি ঘটবে।

তালেবানের ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল বেইজিং সফর করছেন এবং সেখানে তারা আফগানিস্তানবিষয়ক চীনা বিশেষ প্রতিনিধি ডেং শিজুনের সাথে বৈঠক করেছেন। আফগান তালেবানের কাতার অফিসের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন তার টুইটার একাউন্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। শাহীন লিখেছেন, চীনা বিশেষ প্রতিনিধি বলেছেন মার্কিন-তালেবান চুক্তিটি একটি ভালো ফ্রেমওয়ার্ক যেটার মাধ্যমে আফগান ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সমাধান হতে পারে এবং চীন এটাকে সমর্থন করে।

শাহীন টুইটে লিখেছেন যে, তালেবান প্রতিনিধি দলের নেতা মোল্লা বারাদার বলেছেন যে তারা সংলাপে অংশ নিয়ে একটা ‘সমন্বিত চুক্তিতে’ পৌঁছেছিলেন। শাহীনের মতে, বারাদার বলেছেন, এখন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি তার কথার মর্যাদা রাখতে না পারেন এবং সেটা ভঙ্গ করেন, তাহলে আফগানিস্তানে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি ও রক্তপাতের জন্য তাকেই দায় নিতে হবে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে এ ব্যাপারে ই-মেইলে যোগাযোগ করা হলেও তাদের তাৎক্ষণিক জবাব পাওয়া যায়নি। কাবুলে নিযুক্ত চীনা কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আগামী সপ্তাহে আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী তালেবানদের উৎখাত করার পর এটি দেশের চতুর্থ নির্বাচন। শান্তি আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই নির্বাচন এখন গুরুত্ব পেয়েছে, কারণ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল, যেটার সম্ভাবনা এখন খুবই সামান্য। জুন মাসে শান্তি চুক্তি বাতিল হওয়ার আগে তালেবানের আরেকটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করে দেশটির সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করেছিলেন।