ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র এখনো শঙ্কামুক্ত নয়: তারেক রহমান

  • আপডেট সময়: ১০:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৮০ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার পালালেও গণতন্ত্র এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। অন্তবর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। পলাতক স্বৈরাচারের দোসররা নানা কৌশলে পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠার অপচেষ্টায় প্রতিনিয়ত লিপ্ত।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জেএমসেন হলে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, আমার দল বিএনপি বিশ্বাস করে দলমত, ধর্ম-দর্শন যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। সুতরাং, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের সবার সামনে আগামী জাতীয় নির্বাচন একটি বড় সুযোগ।

এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে বিএনপি আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা চায়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশেও কংসের মতো এক নৃশংস স্বৈরাচার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছিল। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে গণতান্ত্রকামী বীর জনতা গণ-অভ্যুথানে গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালায় সেই কংসরুপী এক নৃশংস গণহত্যাকারী স্বৈরাচার।

তারেক রহমান বলেন, গত ১৭ বছর আপনাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে এই গভীর সত্যটি যদি সনাতনী ধর্মের অনুসারীগণ বুঝতে পেরে থাকেন, অবশ্যই এটি আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি। একটি সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে আপনাদের এই উপলব্ধি আগামী দিনে আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আমাদের সকলেরই জেনে রাখা প্রয়োজন, রাষ্ট্র এবং সমাজে নিরাপদ বসবাস নিশ্চিত করতে কোনো দলীয় পরিচয়ে আবদ্ধ থাকা কারো জন্যই জরুরি নয়। কে সংখ্যালঘু, কে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সদস্য শুধুমাত্র এই পরিচয় রাষ্ট্র এবং সমাজে একজন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের গ্যারান্টি হতে পারে না।

তিনি বলেন, পলাতক যে স্বৈরাচারের বর্বর শাসনামল ছিল, সে শাসনামলে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর যাদের আয়নাঘরের নির্জন অন্ধকারে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত মৃত্যু আতঙ্কে কাটাতে হয়েছে, তাদের সবাই কিন্তু কথিত সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর সদস্য।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সাধু সন্ন্যাসী, জেলা ও আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের সময় বাড়ল, আবেদন করা যাবে রোববার দুপুর পর্যন্ত

গণতন্ত্র এখনো শঙ্কামুক্ত নয়: তারেক রহমান

আপডেট সময়: ১০:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচার পালালেও গণতন্ত্র এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। অন্তবর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে। পলাতক স্বৈরাচারের দোসররা নানা কৌশলে পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠার অপচেষ্টায় প্রতিনিয়ত লিপ্ত।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জেএমসেন হলে শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, আমার দল বিএনপি বিশ্বাস করে দলমত, ধর্ম-দর্শন যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। সুতরাং, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের সবার সামনে আগামী জাতীয় নির্বাচন একটি বড় সুযোগ।

এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য একটি নিরাপদ গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে বিএনপি আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা চায়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশেও কংসের মতো এক নৃশংস স্বৈরাচার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছিল। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে গণতান্ত্রকামী বীর জনতা গণ-অভ্যুথানে গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালায় সেই কংসরুপী এক নৃশংস গণহত্যাকারী স্বৈরাচার।

তারেক রহমান বলেন, গত ১৭ বছর আপনাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে এই গভীর সত্যটি যদি সনাতনী ধর্মের অনুসারীগণ বুঝতে পেরে থাকেন, অবশ্যই এটি আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি। একটি সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি এবং মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে আপনাদের এই উপলব্ধি আগামী দিনে আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আমাদের সকলেরই জেনে রাখা প্রয়োজন, রাষ্ট্র এবং সমাজে নিরাপদ বসবাস নিশ্চিত করতে কোনো দলীয় পরিচয়ে আবদ্ধ থাকা কারো জন্যই জরুরি নয়। কে সংখ্যালঘু, কে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সদস্য শুধুমাত্র এই পরিচয় রাষ্ট্র এবং সমাজে একজন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের গ্যারান্টি হতে পারে না।

তিনি বলেন, পলাতক যে স্বৈরাচারের বর্বর শাসনামল ছিল, সে শাসনামলে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর যাদের আয়নাঘরের নির্জন অন্ধকারে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত মৃত্যু আতঙ্কে কাটাতে হয়েছে, তাদের সবাই কিন্তু কথিত সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর সদস্য।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ বিভিন্ন মঠ মন্দিরের সাধু সন্ন্যাসী, জেলা ও আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।