ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলের অ্যাটর্নি জেনারেলের হস্তক্ষেপে বেঁচে গেল গাজা

  • আপডেট সময়: ১১:১৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ১২৪ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল আভিচাই মেন্ডেলব্লিটের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বেঁচে গেলো গাজা। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার জেরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামাসের উপর বড় ধরনের হামলার সিদ্ধান্ত নেন নেতানিয়াহু। কিন্তু আজ সোমবার তার এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে বাঁধ সাধেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল আভিচাই। খবর স্পুটনিক নিউজ এর।

আভিচাই তার বক্তব্যে বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে গেলে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতি লাগবে।’ এরপরই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ইসরায়েলের বন্দরনগরী আশদোদে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনের প্রচারের জন্য আয়জিত এক সমাবেশে ভাষণ দিতে এসেছিলেন নেতানিয়াহু। নির্বাচনে ফের জয় পেলে দখলকৃত পশ্চিম তীরের একটি অংশ ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করে নিবেন বলে ঘোষণা দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

এ ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই হামাসের পক্ষ থেকে রকেট হামলা চালানো হয় ইসরায়েলে। রকেট হামলার সংকেত পেয়েই মঞ্চ ছেড়ে পালান নেতানিয়াহু। মঞ্চ ছেড়ে পালানোর ভিডিও জনসম্মুখে আসলে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও সইতে হয় তাকে। তার ঘণ্টাখানেক বাদেই গাজায় হামাসের ১৫টি স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

কিন্তু এ হামলায় হামাসের কোন সেনা নিহত হয়েছে বলে খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরপরই আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন নেতানিয়াহু। এ নিয়ে ২০১৮ সালের একটি আইনের কথা স্মরণ করিয়ে নিজের পরকল্পনা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সরে আসার পরামর্শ দেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল আভিচাই।

আভিচাই বলেন, ‘আইন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী একা কোন বড় যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। যুদ্ধ ঘোষণার জন্য অবশ্যই দেশের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে।’

ইসরায়েল সরকারের একটি ক্ষুদ্র, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির ২০১৮ সালের প্রতিরক্ষা আইন অনুযায়ী, বহির্বিশ্বের সাথে কোন রকম যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রাধানের সাথে আলোচনায় বসতে হবে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে।

পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে তারা গাজার উপর বড় কোন ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে রাজি নয়। এ ব্যাপারে নেতানিয়াহু সরকার কোন রকম মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ

ইসরাইলের অ্যাটর্নি জেনারেলের হস্তক্ষেপে বেঁচে গেল গাজা

আপডেট সময়: ১১:১৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক : ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল আভিচাই মেন্ডেলব্লিটের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে বেঁচে গেলো গাজা। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার জেরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামাসের উপর বড় ধরনের হামলার সিদ্ধান্ত নেন নেতানিয়াহু। কিন্তু আজ সোমবার তার এই ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্তে বাঁধ সাধেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল আভিচাই। খবর স্পুটনিক নিউজ এর।

আভিচাই তার বক্তব্যে বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে গেলে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতি লাগবে।’ এরপরই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ইসরায়েলের বন্দরনগরী আশদোদে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনের প্রচারের জন্য আয়জিত এক সমাবেশে ভাষণ দিতে এসেছিলেন নেতানিয়াহু। নির্বাচনে ফের জয় পেলে দখলকৃত পশ্চিম তীরের একটি অংশ ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করে নিবেন বলে ঘোষণা দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

এ ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই হামাসের পক্ষ থেকে রকেট হামলা চালানো হয় ইসরায়েলে। রকেট হামলার সংকেত পেয়েই মঞ্চ ছেড়ে পালান নেতানিয়াহু। মঞ্চ ছেড়ে পালানোর ভিডিও জনসম্মুখে আসলে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও সইতে হয় তাকে। তার ঘণ্টাখানেক বাদেই গাজায় হামাসের ১৫টি স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।

কিন্তু এ হামলায় হামাসের কোন সেনা নিহত হয়েছে বলে খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরপরই আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন নেতানিয়াহু। এ নিয়ে ২০১৮ সালের একটি আইনের কথা স্মরণ করিয়ে নিজের পরকল্পনা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সরে আসার পরামর্শ দেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল আভিচাই।

আভিচাই বলেন, ‘আইন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী একা কোন বড় যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। যুদ্ধ ঘোষণার জন্য অবশ্যই দেশের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে।’

ইসরায়েল সরকারের একটি ক্ষুদ্র, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির ২০১৮ সালের প্রতিরক্ষা আইন অনুযায়ী, বহির্বিশ্বের সাথে কোন রকম যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রাধানের সাথে আলোচনায় বসতে হবে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে।

পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে তারা গাজার উপর বড় কোন ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে রাজি নয়। এ ব্যাপারে নেতানিয়াহু সরকার কোন রকম মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।