ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেই পথে গেছে আপা, সেই পথে যাবে জাপা: হাসনাত

  • আপডেট সময়: ১২:৫০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪
  • ৮৯ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টির সমাবেশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চলছে। মূলত জাপার এমন কর্মসূচি আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুনরুত্থানের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখছে বিভিন্ন দল ও সংগঠন। যদিও পুলিশের নিষেধাজ্ঞার পর বাধ্য হয়ে রাজধানীর কাকরাইলে সমাবেশ স্থগিত করেছে জাপা। এমন অবস্থায় জাতীয় পার্টিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফেসবুক একটি পোস্ট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাতে দেওয়া সেই ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লিখেছেন, যেই পথে গেছে আপা, সেই পথে যাবে জাপা। নোট: কেয়ামতের সময়ের তওবা কবুল হয়না।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় পার্টিকে বেইমান আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেন, জাতীয় বেইমান এই জাতীয় পার্টি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজয়নগরে আমাদের ভাইদের পিটিয়েছে, অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এবার এই জাতীয় বেইমানদের উৎখাত নিশ্চিত।

ঘটনার সূত্রপাত
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ দলের নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ২ নভেম্বর রাজধানীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় দলটি। জাপার এমন কর্মসূচির কিছুক্ষণ পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় একদল মানুষ।

এরপর শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন ডেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, ওই কার্যালয়ের সামনেই শনিবার সমাবেশের কর্মসূচি হবে। কিন্তু ওই সমাবেশ ‘করতে দেওয়া হবে না বলে’ হুঁশিয়ারি দেয় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় কাকরাইল ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জাতীয় পার্টি সমর্থন দিলেও আওয়ামী সরকার পতনের পর দলটি তার অতীতের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে হোঁচট খাচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানসহ পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার তিনটি সংলাপে ডাক পায় জাতীয় পার্টি। এরপর গত ৭ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হলে আমরা সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও কঠোর বিরোধিতা করব। এরপর গত ১৯ অক্টোবরের চতুর্থ দফার সংলাপে ডাক পায়নি দলটি।

এরই মধ্যে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি।

ট্যাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইনফরমেশন সেভ করুন

জনপ্রিয়

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের সময় বাড়ল, আবেদন করা যাবে রোববার দুপুর পর্যন্ত

যেই পথে গেছে আপা, সেই পথে যাবে জাপা: হাসনাত

আপডেট সময়: ১২:৫০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টির সমাবেশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চলছে। মূলত জাপার এমন কর্মসূচি আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুনরুত্থানের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখছে বিভিন্ন দল ও সংগঠন। যদিও পুলিশের নিষেধাজ্ঞার পর বাধ্য হয়ে রাজধানীর কাকরাইলে সমাবেশ স্থগিত করেছে জাপা। এমন অবস্থায় জাতীয় পার্টিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফেসবুক একটি পোস্ট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাতে দেওয়া সেই ফেসবুক পোস্টে হাসনাত লিখেছেন, যেই পথে গেছে আপা, সেই পথে যাবে জাপা। নোট: কেয়ামতের সময়ের তওবা কবুল হয়না।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় পার্টিকে বেইমান আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেন, জাতীয় বেইমান এই জাতীয় পার্টি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজয়নগরে আমাদের ভাইদের পিটিয়েছে, অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এবার এই জাতীয় বেইমানদের উৎখাত নিশ্চিত।

ঘটনার সূত্রপাত
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ দলের নেতাদের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ২ নভেম্বর রাজধানীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় দলটি। জাপার এমন কর্মসূচির কিছুক্ষণ পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় একদল মানুষ।

এরপর শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন ডেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, ওই কার্যালয়ের সামনেই শনিবার সমাবেশের কর্মসূচি হবে। কিন্তু ওই সমাবেশ ‘করতে দেওয়া হবে না বলে’ হুঁশিয়ারি দেয় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় কাকরাইল ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জাতীয় পার্টি সমর্থন দিলেও আওয়ামী সরকার পতনের পর দলটি তার অতীতের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে হোঁচট খাচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানসহ পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার তিনটি সংলাপে ডাক পায় জাতীয় পার্টি। এরপর গত ৭ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হলে আমরা সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও কঠোর বিরোধিতা করব। এরপর গত ১৯ অক্টোবরের চতুর্থ দফার সংলাপে ডাক পায়নি দলটি।

এরই মধ্যে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি।