ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিদিন ৩-৪টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমাতেন নোবেল: ডিবি প্রধান

  • আপডেট সময়: ১০:১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩
  • ১২১ জন দেখেছে
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, বিতর্কিত গায়ক মঈনুল আহসান নোবেল প্রতিদিন তিন থেকে চারটি ঘুমের ওষুধ খেয়ে দীর্ঘক্ষণ ঘুমাতেন। এ জন্য তিনি টাকা নিয়েও অনেক প্রোগ্রামে যেতেন না।

শনিবার (২০ মে) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে প্রচণ্ড মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেওয়া, টাকা নিয়ে প্রোগ্রামে না গিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা, বিভিন্ন জায়গায় প্রোগ্রাম করতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় মঞ্চ ভেঙে ফেলাসহ বহু অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা নোবেলকে বিভিন্ন সময় বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তার স্ত্রী আমাদের কাছে তিন-চার দিন এসেছেন। তিনি স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় মারধর করতেন, মারধর করার পর তাকে চিকিৎসাও করাতেন। তিনি অন্য শিল্পীদের কাছ থেকে মদ্যপান, গাঁজা ও ইয়াবা সেবন শিখেছেন বলে আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন। আমরা তার কথায় বুঝতে পারি, তিনি অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়ার কারণে প্রোগ্রামের তারিখ দিলেও যেতে পারেন না।

এর আগে, প্রতারণার মামলায় ‘সারেগামাপা’ খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জানা গেছে, অগ্রিম ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা নিয়ে অনুষ্ঠানে না গিয়ে প্রতারণার অভিযোগে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬-এর প্রতিনিধি মো. সাফায়েত ইসলাম রাজধানীর মতিঝিল থানায় নোবেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৮ এপ্রিল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬-এর প্রথম পুনর্মিলনীর আয়োজন করে। এতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য মাইনুল আহসান নোবেলের সঙ্গে মোট ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা চুক্তি করা হয়। পরে নোবেলকে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তবে অনুষ্ঠানে না গিয়ে তিনি সেই অর্থ আত্মসাৎ করেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয়

‘সব ফাঁস’ করে দেওয়ার হুমকি পাটওয়ারীর, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

প্রতিদিন ৩-৪টি ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমাতেন নোবেল: ডিবি প্রধান

আপডেট সময়: ১০:১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩
Spread the love

লোকসমাচার ডেস্ক:ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, বিতর্কিত গায়ক মঈনুল আহসান নোবেল প্রতিদিন তিন থেকে চারটি ঘুমের ওষুধ খেয়ে দীর্ঘক্ষণ ঘুমাতেন। এ জন্য তিনি টাকা নিয়েও অনেক প্রোগ্রামে যেতেন না।

শনিবার (২০ মে) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, নোবেলের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে প্রচণ্ড মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেওয়া, টাকা নিয়ে প্রোগ্রামে না গিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা, বিভিন্ন জায়গায় প্রোগ্রাম করতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় মঞ্চ ভেঙে ফেলাসহ বহু অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা নোবেলকে বিভিন্ন সময় বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তার স্ত্রী আমাদের কাছে তিন-চার দিন এসেছেন। তিনি স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় মারধর করতেন, মারধর করার পর তাকে চিকিৎসাও করাতেন। তিনি অন্য শিল্পীদের কাছ থেকে মদ্যপান, গাঁজা ও ইয়াবা সেবন শিখেছেন বলে আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন। আমরা তার কথায় বুঝতে পারি, তিনি অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়ার কারণে প্রোগ্রামের তারিখ দিলেও যেতে পারেন না।

এর আগে, প্রতারণার মামলায় ‘সারেগামাপা’ খ্যাত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জানা গেছে, অগ্রিম ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা নিয়ে অনুষ্ঠানে না গিয়ে প্রতারণার অভিযোগে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬-এর প্রতিনিধি মো. সাফায়েত ইসলাম রাজধানীর মতিঝিল থানায় নোবেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৮ এপ্রিল শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬-এর প্রথম পুনর্মিলনীর আয়োজন করে। এতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য মাইনুল আহসান নোবেলের সঙ্গে মোট ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা চুক্তি করা হয়। পরে নোবেলকে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তবে অনুষ্ঠানে না গিয়ে তিনি সেই অর্থ আত্মসাৎ করেন।